একটি নক্ষত্র 11.80 km শোয়ার্জশিল্ড ব্যাসার্ধ নিয়ে কৃষ্ণবিবরে রুপান্তরিত হয় । সূর্যের ভর 1.99×1030 kg   হলে নক্ষত্রের ভর কত kg ?

Updated: 11 months ago
  •    10.17×102
  • 2.65×1022
  •   1.99×1030 
  •   7.96×1030  
  •    15.92×1030
438
উত্তরঃ

শোয়ার্জশিল্ড ব্যাসার্ধ এবং ভরের মধ্যে সম্পর্ক:

সাধারণ আপেক্ষিকতার তত্ত্ব অনুসারে, একটি কৃষ্ণবিবরের শোয়ার্জশিল্ড ব্যাসার্ধ (R_s) এবং এর ভর (M) এর মধ্যে নিম্নলিখিত সম্পর্ক বিদ্যমান:

R_s = 2GM / c^2

যেখানে:

  • G = মাধ্যাকর্ষণ ধ্রুবক (6.67430 x 10^-11 m^3 kg^-1 s^-2)
  • c = আলোর গতি (2.99792 x 10^8 m/s)

প্রদত্ত তথ্য:

  • R_s = 11.80 km = 11.80 x 10^3 m
  • M_sun = 1.99 × 10^30 kg (সূর্যের ভর)

সূর্যের ভর ব্যবহার করে নক্ষত্রের ভর নির্ণয়:

সূর্যের ভরকে একক হিসেবে ব্যবহার করে আমরা নক্ষত্রের ভর (M) নির্ণয় করতে পারি।

প্রথমে, আমরা সূর্যের জন্য শোয়ার্জশিল্ড ব্যাসার্ধ (R_sun) গণনা করব:

R_sun = 2G * M_sun / c^2

R_sun = (2 * 6.67430 x 10^-11 m^3 kg^-1 s^-2) * (1.99 × 10^30 kg) / (2.99792 x 10^8 m/s)^2

R_sun ≈ 2.95325 x 10^6 m

এবার, আমরা নক্ষত্রের ভর (M) নির্ণয় করতে R_s এবং R_sun এর অনুপাত ব্যবহার করব:

M / M_sun = R_s / R_sun

M = M_sun * (R_s / R_sun)

M = (1.99 × 10^30 kg) * (11.80 x 10^3 m / 2.95325 x 10^6 m)

M ≈ 7.96 x 10^30 kg

উত্তর:

নক্ষত্রের ভর প্রায় 7.96 x 10^30 kg

   ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করতেন যে, পদার্থবিজ্ঞান সম্পর্কে যা জানা দরকার তার অধিকাংশই তারা জেনে ফেলেছেন। নিউটনের গতিসূত্র ও তাঁর বিশ্বজনীন মহাকর্ষ সূত্র, তড়িৎ বিজ্ঞান ও চৌম্বক বিজ্ঞানকে একত্রিত করে ম্যাক্সওয়েলের তাত্ত্বিক কাজ এবং তাপগতিবিদ্যার সূত্র এবং গতি তত্ত্ব অনেক বৈচিত্র্যময় প্রতিভাসের ব্যাখ্যায় সফলতা লাভ করেছে। বিংশ শতাব্দীর সূচনা লগ্নে দুটি তত্ত্ব পদার্থবিজ্ঞানের জগৎকে কাঁপিয়ে দেয়। এগুলো হলো ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক প্রদত্ত কোয়ান্টাম তত্ত্ব এবং ১৯০৫ সালে বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইন প্রদত্ত আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব। দুটি ধারণাই প্রকৃতি সম্পর্কে আমাদের উপলব্ধিতে সুগভীর প্রভাব ফেলেছে। কয়েক দশকের সাধনায় এই তত্ত্বগুলো পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞান, নিউক্লিয় পদার্থবিজ্ঞান এবং ঘনীভূত পদার্থের পদার্থবিজ্ঞানের উন্নয়ন, বিকাশ ও তত্ত্বকে প্রেরণা জোগায়।

     আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা তাই ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্ল্যাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্বের আবিষ্কারের মাধ্যমে। এই তত্ত্বের সাহায্যে তিনি কালো বস্তুর বিকিরণের শক্তি কোয়ান্টায়নের কথা বলেন। আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের জগতে আরেকটি বিপ্লব আনেন অ্যালবার্ট আইনস্টাইন তাঁর আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব ও আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রবর্তনের মাধ্যমে।

আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা হলো কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞান, আপেক্ষিকতা তত্ত্ব, পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞান, নিউক্লিয় পদার্থবিজ্ঞান, পরিসাংখ্যিক (Statistical) বলবিজ্ঞান, কঠিনাবস্থার পদার্থবিজ্ঞান (Solid state physics) প্রভৃতি।

Related Question

View All
  • নিবৃত্তি বিভব
  • প্লাংকের ধ্রুবক
  • কার্যাপেক্ষক
  • তরঙ্গদৈর্ঘ্য
284
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই